রফিকুলের যাত্রা — ক্রিকেট জ্ঞানকে আয়ে পরিণত করার গল্প
রফিকুল ইসলামের বয়স ৩৪। রাজশাহীতে তার একটি মোবাইল ফোনের দোকান আছে। ক্রিকেট সম্পর্কে তার পড়াশোনা ও আগ্রহ ছিল অনেক আগে থেকেই — পিচের ধরন, ব্যাটসম্যানের ফর্ম, বোলারের গড় — এসব তার মুখস্থ।
২০২৩ সালের শুরুতে একজন বন্ধুর কাছ থেকে pkuck-এর কথা জানেন। প্রথমে খুব সতর্কভাবে মাত্র ৳৫০০ ডিপোজিট করেন। ওয়েলকাম বোনাস যোগ হওয়ায় মোট ব্যালেন্স হয় ৳১,২৫০।
প্রথম মাসের অভিজ্ঞতা
প্রথম মাসে রফিকুল অনেকটা শেখার মোডে ছিলেন। ছোট ছোট বাজি, বড় বাজার বোঝার চেষ্টা। pkuck-এর লাইভ স্ট্যাটিসটিক্স ফিচার তাকে দারুণ সাহায্য করেছে। প্রতিটি ম্যাচের রিয়েলটাইম ডেটা দেখে তিনি সিদ্ধান্ত নিতেন।
কৌশল তৈরি হলো তৃতীয় মাসে
তৃতীয় মাসে রফিকুল একটা নিজস্ব কৌশল তৈরি করলেন — শুধু টেস্ট ম্যাচে এবং ইনিংসের প্রথম ২০ ওভারের বেটে মনোযোগ দেওয়া। এই সময়ে পিচ আর আবহাওয়ার প্রভাব সবচেয়ে বেশি, যা তিনি ভালো বুঝতেন।
pkuck-এর ক্যাশআউট ফিচারটি তার জন্য বিশেষ কার্যকর ছিল। বাজি জেতার আগেই যখন পরিস্থিতি পরিবর্তন হতো, তিনি সময়মতো ক্যাশআউট করতেন। এতে লোকসান অনেক কমে যেত।
"pkuck-এ ক্রিকেটের লাইভ স্ট্যাট দেখে বাজি ধরার সুযোগ আমাকে সত্যিই অবাক করেছে। আমি যা জানি সেটা কাজে লাগাতে পারছি — এটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার।" — রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী
ছয় মাসের ফলাফল
ছয় মাস শেষে রফিকুলের মোট বিনিয়োগ ছিল ৳১২,০০০। মোট উইথড্রয়াল করেছেন ৳২০,১৬০। pkuck-এর দ্রুত পেমেন্ট প্রসেসিং তাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে — প্রতিটি উইথড্রয়াল ২ ঘণ্টার মধ্যে পেয়েছেন।